ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নবীনগরে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলার’ প্রতিবাদে সাংবাদিকদের বিশাল মানববন্ধন। চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে ২জন গ্রেপ্তার: ২টি ট্র‍্যাক্টর ও ১টি এস্কেভেটর জব্দ মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি চাঁপাইনবাবগঞ্জে উদ্ধারকৃত ১৪টি মোবাইল ফোন মালিকদের নিকট হস্তান্তর মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি। নবীনগরে ফসলি জমিতে সাপের কামড়ে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রের মৃত্যু,। বাংলাদেশ টিভি ওয়ানের নিজস্ব প্রতিনিধ এ কে আমির হোসেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভিসতা স্বাধীনতা দিবস ফুটভলি চ্যাম্পিয়নশীপের উদ্বোধন হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধিতে জেলা হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন এমপি নূরুল ইসলাম বুলবুল মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি নবীনগরে অসহায় নারীকে ‘মাদক ও দেহ ব্যবসায়ী’ অপবাদ দিয়ে অর্থ আদায় ও হামলার অভিযোগে নিজ বাড়িতে একটি সাবমার্সিবল টিউবওয়েল বসাতে গেলে স্থানীয় তাজুল ইসলাম (৪৮), মতিন মিয়া (৪০), হানিফ মিয়া (৪৫) এবং মাহফুজা (৪৫)- দাবিকৃত অবশিষ্ট টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা নারগিছ আক্তারকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে তাকে ‘দেহ ব্যবসায়ী’ ও ‘মাদক বিক্রেতা’ হিসেবে এলাকায় অপবাদ ছড়িয়ে দেয়।এরই প্রতিবাদে নবীনগর উপজেলা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফিলিং স্টেশন পরিদর্শনে  বিএসটিআই কর্মকর্তারা মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি  চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের অবস্থিত ইউনাইটেড স্ট্যান্ডার্ড স্কুলের চুরি হওয়া ৩টি ৪০ ইঞ্চি স্মার্ট টিভি উদ্ধার সহ দুই চোরকে গ্রেফতার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর মডেল থানাধীন আলীনগর ভূতপুকুর ও হাজিরমোড় এলাকায় মাদকবিরোধী পথসভা ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে
নোটিশ :
সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন 01945472942

ঈদের কেনাকাটায় উত্তাল নবীনগর শপিং মলে উপচে পড়া ভিড়, বাজারে একটি সক্রিয় ছিনতাইকারী ও চোরচক্রের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে আতঙ্কে ক্রেতারা।

  • মোঃ সোহেল খান
  • আপডেট সময় ০৭:৫৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
  • ১০৭ বার পড়া হয়েছে

ঈদের কেনাকাটায় উত্তাল নবীনগর শপিং মলে উপচে পড়া ভিড়, বাজারে একটি সক্রিয় ছিনতাইকারী ও চোরচক্রের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে আতঙ্কে ক্রেতারা।

​পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে উৎসবের আমেজে ভাসছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা। আজ শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় সকাল থেকেই উপজেলার ঐতিহাসিক বাজারসহ বিভিন্ন শপিং সেন্টারগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। ২১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার সাধারণ মানুষ ঈদের শেষ মুহূর্তের ভিড় এড়াতে আগেভাগেই ভিড় জমাচ্ছেন মার্কেটগুলোতে।
​মার্কেটে ক্রেতাদের ঢল
​সরেজমিনে দেখা গেছে, নবীনগরের সবচাইতে জনপ্রিয় আধুনিক সমবায় সুপার মার্কেটে এখন পা ফেলার জায়গা নেই। নারী, পুরুষ ও শিশুদের নতুন পোশাকের সমাহারে ঠাসা এই মার্কেটে তরুণ-তরুণীদের উপস্থিতি ছিল সবচেয়ে বেশি। এছাড়া সালাম রোডের ছোট-বড় দোকান, নিউ মার্কেট এবং নিরিবিলি মার্কেটেও পুরোদমে চলছে বেচাকেনা।

​কেনাকাটার এই মহোৎসবের মধ্যেই জনমনে দানা বাঁধছে আতঙ্ক। ঈদকে কেন্দ্র করে নবীনগরের বিভিন্ন বাজারে একটি সক্রিয় ছিনতাইকারী ও চোরচক্রের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। নারী ও বয়স্ক ব্যক্তিরা এই চক্রের প্রধান লক্ষ্যবস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছেন। বিশেষ করে জনাকীর্ণ মার্কেট ও ব্যাংকগুলোর আশেপাশে তাদের আনাগোনা বেশি দেখা যাচ্ছে।

নবীনগর প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে:
​”আপনার মূল্যবান জিনিসপত্র ও নগদ টাকা নিজ হেফাজতে রাখুন। যেকোনো সন্দেহজনক গতিবিধি দেখলে নিকটস্থ পুলিশকে অবহিত করুন।”
​অতিরিক্ত মূল্যের কারসাজি
​উৎসবের আনন্দের মাঝে বিষাদে পরিণত হয়েছে কাপড়ের লাগামহীন দাম। সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগ, এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী পণ্যের গায়ে আকাশচুম্বী দাম লিখে রাখছেন।
​দাম নিয়ে কারসাজি: যে পোশাকের প্রকৃত দাম ১,১০০ থেকে ১,২০০ টাকা, সেটির দাম হাঁকা হচ্ছে ২,০০০ থেকে ২,৫০০ টাকা।
​মধ্যবিত্তের ভোগান্তি: দরদাম করে কেনাকাটা করতে গিয়ে চরম বিপাকে পড়ছেন মধ্যবিত্ত ও সাধারণ আয়ের মানুষ।
​বাজার মনিটরিংয়ের দাবি
​বাজারের এই বিশৃঙ্খলা ও অতিরিক্ত মূল্য নিয়ন্ত্রণে স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। ক্রেতাদের দাবি, প্রশাসন যদি নিয়মিত বাজার মনিটরিং করে এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে, তবেই সাধারণ মানুষ ন্যায্য মূল্যে কেনাকাটা করতে পারবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নবীনগরে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলার’ প্রতিবাদে সাংবাদিকদের বিশাল মানববন্ধন।

ঈদের কেনাকাটায় উত্তাল নবীনগর শপিং মলে উপচে পড়া ভিড়, বাজারে একটি সক্রিয় ছিনতাইকারী ও চোরচক্রের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে আতঙ্কে ক্রেতারা।

আপডেট সময় ০৭:৫৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

ঈদের কেনাকাটায় উত্তাল নবীনগর শপিং মলে উপচে পড়া ভিড়, বাজারে একটি সক্রিয় ছিনতাইকারী ও চোরচক্রের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে আতঙ্কে ক্রেতারা।

​পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে উৎসবের আমেজে ভাসছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা। আজ শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় সকাল থেকেই উপজেলার ঐতিহাসিক বাজারসহ বিভিন্ন শপিং সেন্টারগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। ২১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার সাধারণ মানুষ ঈদের শেষ মুহূর্তের ভিড় এড়াতে আগেভাগেই ভিড় জমাচ্ছেন মার্কেটগুলোতে।
​মার্কেটে ক্রেতাদের ঢল
​সরেজমিনে দেখা গেছে, নবীনগরের সবচাইতে জনপ্রিয় আধুনিক সমবায় সুপার মার্কেটে এখন পা ফেলার জায়গা নেই। নারী, পুরুষ ও শিশুদের নতুন পোশাকের সমাহারে ঠাসা এই মার্কেটে তরুণ-তরুণীদের উপস্থিতি ছিল সবচেয়ে বেশি। এছাড়া সালাম রোডের ছোট-বড় দোকান, নিউ মার্কেট এবং নিরিবিলি মার্কেটেও পুরোদমে চলছে বেচাকেনা।

​কেনাকাটার এই মহোৎসবের মধ্যেই জনমনে দানা বাঁধছে আতঙ্ক। ঈদকে কেন্দ্র করে নবীনগরের বিভিন্ন বাজারে একটি সক্রিয় ছিনতাইকারী ও চোরচক্রের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। নারী ও বয়স্ক ব্যক্তিরা এই চক্রের প্রধান লক্ষ্যবস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছেন। বিশেষ করে জনাকীর্ণ মার্কেট ও ব্যাংকগুলোর আশেপাশে তাদের আনাগোনা বেশি দেখা যাচ্ছে।

নবীনগর প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে:
​”আপনার মূল্যবান জিনিসপত্র ও নগদ টাকা নিজ হেফাজতে রাখুন। যেকোনো সন্দেহজনক গতিবিধি দেখলে নিকটস্থ পুলিশকে অবহিত করুন।”
​অতিরিক্ত মূল্যের কারসাজি
​উৎসবের আনন্দের মাঝে বিষাদে পরিণত হয়েছে কাপড়ের লাগামহীন দাম। সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগ, এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী পণ্যের গায়ে আকাশচুম্বী দাম লিখে রাখছেন।
​দাম নিয়ে কারসাজি: যে পোশাকের প্রকৃত দাম ১,১০০ থেকে ১,২০০ টাকা, সেটির দাম হাঁকা হচ্ছে ২,০০০ থেকে ২,৫০০ টাকা।
​মধ্যবিত্তের ভোগান্তি: দরদাম করে কেনাকাটা করতে গিয়ে চরম বিপাকে পড়ছেন মধ্যবিত্ত ও সাধারণ আয়ের মানুষ।
​বাজার মনিটরিংয়ের দাবি
​বাজারের এই বিশৃঙ্খলা ও অতিরিক্ত মূল্য নিয়ন্ত্রণে স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। ক্রেতাদের দাবি, প্রশাসন যদি নিয়মিত বাজার মনিটরিং করে এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে, তবেই সাধারণ মানুষ ন্যায্য মূল্যে কেনাকাটা করতে পারবে।